পাটের হলুদ মাকড় দমনে নিমপাতা ও নিমের বীজের ব্যবহার-পাটের হলুদ মাকড় দমনে নিমপাতা ও নিমের বীজের ৬ টি ব্যবহার

 টের হলুদ মাকড় দমনে নিমপাতা ও নিমের বীজের ব্যবহার  সম্পর্কে আজকের আর্টিকেলটি আপনাদের সামনে তুলে ধরা হলো। পাটের ক্ষেতে হলুদ মাকড় আক্রমণ করলে পাতার হলদে দাগ পরে। পাতা বৃদ্ধি কমে যায় এবং ফলন কমে যায়।

পাটের-হলুদ-মাকড়-দমনে-নিমপাতা-ও-নিমের-বীজের-ব্যবহার
রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহার না করে প্রাকৃতিক উপায়ে এটি দমন করা সম্ভব। নিম পাতা ও নিমের বীজ দিয়ে। নিম পাতা ও নিমের বীজের গুড়া মিশিয়ে এটি ব্যবহার করলে পাটের উর্বরতা বৃদ্ধি পায় এবং ফলন ভালো হয় চলুন এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক।

সূচিপত্রঃ পাটের হলুদ মাকড় দমনে নিমপাতা ও নিমের বীজের ব্যবহার

পাটের হলুদ মাকড় দমনে নিমপাতা ও নিমের বীজের ব্যবহার

পাটের হলুদ মাকড় দমনে নিমপাতা ও নিমের বীজের ব্যবহার। বাংলাদেশের অর্থকরী ফসল হিসেবে পাঠ বাংলাদেশের দ্বিতীয় অবস্থান করছে। পাট উৎপাদনে বিশ্ব শীর্ষে অবস্থান করলেও কিছু ক্ষেত্রে পাটের ফলন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণ হলো কীটপতঙ্গ আক্রমণ। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পাট বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় হলুদ মাকড় এর কারণে। পাটের হলুদ মাকড় পাট গাছের আগার কুচিপাতা আক্রমণ করে পাতার রস চুষে খায় এতে করে পাতার কুঁকড়ে যায় এবং রং ধারণ করার ক্ষমতা কমে যায়। নিম পাতার নিমের বীজের ব্যবহার নিচে দেওয়া হলঃ
  • নিম পাতার ব্যবহারঃ এক কিলো তাজা নিমপাতা কেটে বা বেটে নিতে হবে অথবা ব্লেন্ডারের সাহায্যে ব্লেন্ড করে নিতে পারেন। এর সাথে ১০ লিটার পানি মিশিয়ে ২৪ ঘন্টার জন্য ভিজিয়ে রাখুন। এরপর পাতাগুলোকে ছেঁকে নিন। এরপর তৈরিকৃত দ্রবণটি পাটগাছে স্প্রে করতে হবে। স্প্রে করার সময় আপনার খেয়াল রাখতে হবে পাতার উল্টোদিকে যেন স্প্রেটা করা হয় বা ছিটানো হয়। এতে করে আপনি খুব ভালো ফলাফল পাবেন। 
  • নিম বীজের ব্যবহারঃ  শুকনা নিম বীজ যেটাকে আমরা বিচি হিসেবে চিনি তা থেকে শাস বের করে নিয়ে এক কেজির মত গুরা করে নিতে হবে। আবারো আগের পদ্ধতিতে দশ লিটার পানির সাথে মিশিয়ে রাতভর ভিজিয়ে রাখতে হবে সকালে ভালোভাবে নেড়ে ছেকে স্প্রে তে ভরে আগের পদ্ধতির মত ছিটাতে শুরু করুন। এতে করে মাকড় দমন হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। 
আপনি সকাল বা বিকেলে  স্প্রে করতে পারেন। পাতার আক্রমণ শুরু হওয়ার সাথে সাথেই প্রয়োগ করলে এর ফলাফল ভালো হয়। স্প্রেটি সাত থেকে দশ দিন পর পর ব্যবহার করতে হবে। বৃষ্টি হলে আবারও স্প্রে করতে হবে এতে করে কার্যকারিতা বেশি হবে। এভাবে নিয়মিত নিম পাতাও বীজের ব্যবহার করলে প্রাকৃতিকভাবে পাটের হলুদ মাপো নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং ভালো ফলন খাওয়া সম্ভাবনা থাকে এতে করে আপনি অনেক লাভজনক হতে পারবেন। 

পাট চাষে মাকড় আক্রমণের সমস্যা

পাট চাষে মাকড় আক্রমণের সমস্যা অনেকেই এরকম সমস্যায় পড়ে থাকেন আবার অনেকেই জানেন না যে মাকড় সমস্যা কি চলুন এ সম্পর্কে একটু বলা যাক। মাকড়  আক্রমণ সমস্যা বলতে আসলে পূর্ণবয়স্ক ও বাচ্চা মাকড় কচি পাতার আক্রমণ করে পাতার রস শুষে নেওয়া কে বোঝায়। এতে করে পাতা দুর্বল হয়ে ঝরে পড়ে এবং ফলন গুণমান নষ্ট হয়। এটি সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা অনেকেই পাতা পুড়িয়ে ফেলি খেত পরিষ্কার রাখি ইত্যাদি। তবে নিম পাতা ব্যবহারে বা নিমের বীজ ব্যবহারে এটি আরো সহজ সমাধান এনে দিয়েছে। 
পাটের-হলুদ-মাকড়-দমনে-নিমপাতা-ও-নিমের-বীজের-ব্যবহার
মাকড় আক্রমণের লক্ষণ গুলো হচ্ছে পাটের পাতার প্রথমে হালকা হলুদ দাগ পড়বে। ধীরে ধীরে পুরো পাতাতে হলদে বা বাদামি হয়ে যাবে। আক্রান্ত পাতার জাল দেখা যেতে পারে। গাছের বৃদ্ধি কমে যাবে। ডগা শুকিয়ে যাবে অতিরিক্ত আক্রান্তে পাতা ঝরে পড়ে যেতে পারে। এতে করে গাছে স্বাভাবিক বৃদ্ধি কমে যায় পাতা যথেষ্ট খাবার তৈরি করতে পারে না যার ফলে গাছ অনেক দুর্বল হয়ে পড়ে ফলন কমে যায় এবং আসে এর গুনাগুন মান খারাপ হয়ে যায় কখনো কখনো পুরো ক্ষেত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। 

হলুদ মাকড় কি ও তার ক্ষতির ধরন

হলদে মাকড় হলো এক ধরনের ক্ষুদ্র আকৃতির কিট বা মাকড়সার জাতীয় ছোট একটি প্রাণী। যাকে খালি চোখে দেখা যায় না এটা সাধারণত পাতা নিচে লুকিয়ে রস চুষে খায়। গরমের সময় বা শুষ্ক মৌসুমে এদের আক্রমণ সবচেয়ে বেশি হয়। পাটের হলুদ মাকড় দমনে নিমপাতা ও নিমের বীজের ব্যবহার। এরা গাছের আগার কুচিপাতা নিচে লুকিয়ে থাকে। পাতার রস শুষে নেওয়ার ফলে পাতার রং পরিবর্তন হয়ে হলুদ বর্ণ হয়ে যায় পাতা ঝরে পড়ে এতে করে পাটের ফলন কমে যায়। হলুদ মাকর এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত পাটের মতো গাছের আক্রমণ করে। ক্ষতির ধরন নিচে দেওয়া হলঃ

  • পাতার রং পরিবর্তন
  • পাতা ঝরে পড়া
  • ডগা শুকিয়ে যাওয়া 
  • ফলন কমে যাওয়া 
  • ক্ষেত নষ্ট হওয়া

জৈব উপাদান দিয়ে পোকা দমনের গুরুত্ব

জৈব উপাদান দিয়ে পোকামাকড় দমন করার গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ এটি পরিবেশ ও স্বাস্থ্য ও মার্টির জন্য নিরাপদ। রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহার কমিয়ে পরিবেশ দূষণ রোধ করে, মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে। খেয়াল রাখতে হবে অতিরিক্ত রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহার করলে মাটি, পানি, পরিবেশ ও মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতি হতে পারে। যেহেতু এটি পরিবেশ দূষণের জন্য বেশ মারাত্মক ক্ষতির কারণ। সে কারণে আমরা প্রাকৃতিক উপায়ে নিমপাতা, নিমের বীজ ব্যবহার করেও এটি দমন করতে পারি। 

তবে জৈব উপাদান নিম পাতা রসুন লঙ্কা আদা, নির্যাস ইত্যাদি মাটি ও পরিবেশ দূষণ করে না। এতে করে ভারসাম্য বজায় থাকে। রাসায়নিক কীটনাশক যেমন মানুষ ও প্রাণীর জন্য ও নিরাপদ না। সে ক্ষেত্রে জৈবিক উপাদান রাসায়নিক কীটনাশক এর মত মানুষের শরীরে বিষক্রিয়া ঘটায় না। রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহার ফলে তাড়াতাড়ি পোকামাকড় প্রতিরোধ করা যায়। কিন্তু জৈবিক উপাদান তা ধীরে ধীরে কাজ করে এবং পোকা সহজে প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জন করা যায়। যৌগিক উপাদানের ফলে মাটি উর্বর থাকে এবং জীবাণু মারা যায় তাই ফলন ভালো হয়। 

নিম বীজের তেল ও এর কীটনাশক ব্যবহার

নিম বীজ থেকে যে তেল পাওয়া যায় সেটাই নিম বীজের তেল। প্রাকৃতিক জৈব কীটনাশক মাকড়সা ও ছত্রাকনাশক হিসেবে এটি ব্যবহৃত করা হয়। আমার নিজস্ব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি এটি পরিবেশের কোন ক্ষতি করেনা বরং বিভিন্ন ক্ষতিকারক পোকামাকড় দমন করতে সাহায্য করে। এটা বিভিন্ন ফুল ফল ও সবজি গাছে আপনি ব্যবহার করতে পারেন আমি নিজেও এভাবে ব্যবহার করে অনেক উপকৃত হয়েছি। নিম তেল বিভিন্ন ক্ষতিকারক পোকামাকড় দমন করতে সাহায্য করে যার ফলে এটি কীটনাশক হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। 

এটি মাকড়সা ও মাকড়ের মতো জীবাণু ধ্বংস করে। নিম তেল ছত্রাক জনিত রোগ থেকে পাট গাছের পাতা রক্ষা করে। আপনি চাইলে এটি জৈব সার হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন এটিকে জৈব চাষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি অনেক নিরাপদ হওয়ার কারণে পরিবেশের কোন ক্ষতি করে না। ফলবান গাছে ব্যবহার করলে গাছের ফলন বৃদ্ধি পায় ও ভালো ফল ধরে। এটি ফল সংগ্রহ সময় সীমা পর্যন্ত ব্যবহার করা যায় এবং এটি নিয়ে নিরাপদ হওয়ার কারণে গাছ থেকে ফল আহরণ করে খাওয়াও নিরাপদ। 

পরিবেশ ও মাটির জন্য নিমের উপকারিতা

আমরা সকলেই ছোটবেলা থেকে পড়ে এসেছি নিমগাছ আমাদের প্রাকৃতিক বন্ধু। কারণ নিম গাছ বা পাতাকে ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করা হয় কিন্তু সেটা ওষুধ হিসেবেও নয় কীটনাশক হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। এতে করে পরিবেশে ও মাটির জন্য ও অত্যন্ত উপকারী। নিম বায়ু দূষণকারী পদার্থ যেমন ধুলিকণা, কার্বন ডাই-অক্সাইড, সালফার, নাইট্রোজেন  শোষণ করে বাতাসকে বিশুদ্ধ করে এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। নিম মাটির ক্ষয় রোধ এবং ভাঙ্গন আটকাতে সাহায্য করে। 
নিম গাছ পরিবেশগত দূষণ সহ্য করার ক্ষমতা রাখে। অন্যান্য গাছের মতো নিম গাছ ও অক্সিজেন উৎপাদন করে এবং পরিবেশকে শীতল রাখতে সাহায্য করে। নিম গাছে ছায়া পরিবেশকে ঠান্ডা রাখে, শীতলতা দেয় এটি গবেষণায় প্রমাণিত। পরিবেশের পাশাপাশি নিমগাছ মাটির ক্ষয় রোধ এবং মরুময়তা দূর করতে সাহায্য করে। নদী এলাকায় নিম গাছ বেশি দেখা যায় কেননা নিম গাছ নদী ভাঙন আটকাতে কার্যকরী। নিম গাছের ঔষধি গুনাগুন অনেক এটি ব্যবহারে বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। 

কৃষকের জন্য নিম চাষে অর্থনৈতিকভাবে কতটা লাভজনক

কৃষকের জন্য নিম গাছের অর্থনীতি ভাবে অনেক লাভজনক হয়ে থাকে। পাটের হলুদ মাকড় দমনের নিমপাতা ও নিমের বীজের ব্যবহার। নিম গাছ শুধু পরিবেশের জন্য নয় কৃষকের জন্য অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত লাভজনক একটি কাজ কারণ এর প্রতিটি অংশের বাজার মূল্য রয়েছে এবং বিভিন্নভাবে কৃষকের আয় বাড়াতে সাহায্য করে। নিম চাষ কৃষকের জন্য এক দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ লাভজনক বিনিয়োগ। এটি কৃষকের আয় বাড়ায় খরচ কমায় এবং পরিবেশের জন্য অত্যন্ত উপকারী। 

নিম গাছের বীজ পাতা এবং অন্যান্য অংশ থেকে বিভিন্ন ধরনের পণ্য তৈরি করা যায় যা বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করা সম্ভব এতে করে লাভজনক হওয়া যায়। মালাবার নেম একটি বিশেষ জাত যা দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং অনেক বেশি ফলন দেয় যা অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত লাভজনক হতে পারে। নিম থেকে তৈরি জৈব কীটনাশক তেল বা অন্যান্য পণ্য বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান চাহিদা তৈরি করে। চাকরির জন্য লাভজনক। নিম গাছের কাঠ থেকে অনেক রকম ফার্নিচার বানানো যায় এবং এটি চাহিদা অনেক বেশি। 

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে পাটের গুরুত্ব

পাটকে বাংলাদেশের সোনালী আঁশ বলা হয় কারণ পাট আমাদের দেশের প্রধান অর্থকরী ফসল গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি। বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের বড় অংশ এসেছে পাঠ রপ্তানির মাধ্যমে। যদিও বর্তমানে গার্মেন্ট শিল্প একটু বেশি শীর্ষ অবস্থানে আছে তবুও পাট এখনো বাংলাদেশের অর্থকড়ির গ্রামীণ জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষি শিল্প পরিবেশের জন্য পাঠ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে পাঠের গুরুত্ব নিচে আলোচনা করা হলোঃ
পাটের-হলুদ-মাকড়-দমনে-নিমপাতা-ও-নিমের-বীজের-ব্যবহার
  • কৃষকের জীবিকার জন্যঃ  বাংলাদেশের প্রায় ৫০ থেকে ৬০ লাখ কৃষক পরিবারের পাট চাষের সঙ্গে জড়িত। এতে করে গ্রামীণ অর্থনীতিতে পাট চাষের গুরুত্ব এবং আয়ের উৎস হিসেবে বিশেষ ভূমিকা রাখে। পাট চাষের মাধ্যমে কৃষক ফসল উৎপাদন করে এবং কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হয় এর ফলে শিল্পায়নের বা কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পায়। এতে করে বেকারত্বের হার কমে। 
  • বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনঃ বিশ্বের অন্যতম পাট উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে খ্যাতি লাভ করেছে বাংলাদেশ। পাট এবং পাটের জাত পণ্য ইউরোপ আমেরিকা আফ্রিকা ও এশিয়ার অনেক দেশের রপ্তানি করা হয়।  যেমন ব্যাগ, কার্পেট, মাদুর, সুতা ইত্যাদি। 
  • গ্রামীণ অর্থনীতিতে অবদানঃ গ্রামীণ অর্থনীতিকে সচল রাখতে ৫০%লোক পাট কাটা যোগ দেওয়া আঁশ ছারানো শুকানো বাজারজাত করা সঙ্গে হাজার মানুষ যুক্ত থাকে। দেশের অসংখ্য পাটকল কৃষি শিল্প ও কারখানা রয়েছে যেখানে লাখ লাখ শ্রমিক কাজ করে এভাবে পাঠশালা সরাসরি ও পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থান তৈরি করে থাকে। 

নিম গাছের বৈজ্ঞানিক পরিচিতি

নিম গাছে বৈজ্ঞানিক নাম হল আজাদিরাক্টিন Azadirachtin) যা প্রাকৃতিক কীটনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। রেডি মাটি বৃদ্ধি করে এবং কিছুতে রাসায়নিক বিকল্প হিসেবে কাজ করে। নিমের পাতা এবং গাছের কাণ্ড দীর্ঘদিন ধরে  রোগ নিরাময়ের কাজ করে আসছে। নিম গাছের ঔষধি গুনসম্পন্ন এবং এর পাতা বা কল ফল শিকড় শহর সকল প্রকার অংশই বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয়। নিম গাছের কান্ড গুড়ি দিয়ে অসাধারন ফার্নিচার করা যায় এটি জৈব কীটনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
নিম গাছ প্রাচীন কাল থেকে  আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। নিম একটি বহু বর্ষজীবী এবং চিরহরিৎ বৃক্ষ। এটি মাঝারি ধরনের একটি গাছ। নিম গাছ ৩০ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। নিম গাছের ফুল সাদা বা হালকা হলুদ ছোট ছোট গুদছো আকারে ফোটে। এর বীজ থেকে নিম তেল পাওয়া যায় যা প্রাকৃতিক কীটনাশক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এর ফল ডিম্বাকৃতি ও সবুজ থেকে পাকা হলে হলুদ রঙের বর্ণ ধারণ করেন। 

মন্তব্যঃ পাটের হলুদ মাকড় দমনে নিমপাতা ও নিমের বীজের ব্যবহার

পাটের হলুদ মাকড় দমনে নিমপাতা ও নিমের বীজের ব্যবহার সম্পর্কে আজকে আর্টিকেলটি আলোচনা করা হয়েছে। পাট চাষে হলুদ মাকড় একটু সাধারণ ক্ষতিকর কিট। এটি পাটের পাতা চুষে খায়। ফলের পাটের পাতা হলুদ হয়ে যায় এবং গাছ দুর্বল হয়ে পরে ফলন কম হয়। এখানে কীটনাশক এর বিকল্প হিসেবে পাটের বীজ এবং পাতার ব্যবহার করা যায়। 

আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা পাট সম্পর্কে এবং নিম গাছের সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। এরকম শিক্ষামূলক আরও আর্টিকেল পেতে আমাদের ফলো করে রাখুন। অন্যদের সাথে শেয়ার করুন। এতক্ষণ আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আড্ডাভিউ আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url